গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় আড়াই মাস ধরে চলছিল বিনিয়োগ। কিন্তু লভ্যাংশের অর্থ কিছুই পাননি তিনি। অনেক চেষ্টা করেও একটি টাকাও তোলা সম্ভব হয়নি তার পক্ষে। আর তখনই সন্দেহ হতে থাকে আক্রান্ত তরুণের। তিনি দ্রুত সাইবার পুলিশের দ্বারস্থ হন। দায়ের করেন এফআইআর। ধরা পড়ে এই দীর্ঘ সময় ধরে সাইবার প্রতারণার শিকার হয়েছেন ওই ব্যক্তি।
সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টারে দায়ের হওয়া একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। আর তার পরই সিবিআইয়ের কর্মকর্তারা রীতিমতো চমকে যান। জানা যায়, একই রকমভাবে প্রতারণার শিকার হয়েছেন প্রায় ৪ হাজার মানুষ। সব মিলিয়ে প্রতারণার অংকটা ১১৭ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্র বলছে, এই প্রতারণাচক্র নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিদেশ থেকে। তবে প্রতারকদের এপিসেন্টার দিল্লি-এনসিআর এলাকা। সব মিলিয়ে ৩ হাজারেরও বেশি সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে নজর রয়েছে সিবিআইয়ের।







