আপার কুররাম তহসিলের চেয়ারম্যান আগা মুজামিল বলেন, ‘রাস্তাঘাট বন্ধ থাকার কারণে স্থানীয়রা প্রাথমিক চাহিদা যেমন স্বাস্থ্যসেবা এবং খাবার পাচ্ছেন না। চিকিৎসার অভাবে ১০০-এর বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।’ এর জবাবে কুররামের ডেপুটি কমিশনার জানিয়েছেন, গ্র্যান্ড জিরগার (বড় সভা) মাধ্যমে জেলায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান উপজাতি সংঘাত সমাধানের লক্ষ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকার আশা করছে, এই আলোচনা থেকে স্থিতিশীলতা আসবে এবং রাস্তাগুলো পুনরায় খুলে দেয়া সম্ভব হবে।
পারাচিনারের বাসিন্দাদের দুর্দশা তুলে ধরতে করাচির নুমাইশ চৌরাঙ্গি এবং লাহোর প্রেস ক্লাবের সামনে সংহতি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সব কর্মসূচি আয়োজন করেছে মজলিস ওয়াহদাত-এ-মুসলিমিন।
এদিকে, খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ব্যারিস্টার সাইফ জানিয়েছেন, পরাাচিনার সড়ক সুরক্ষিত রাখতে বিশেষ পুলিশ বাহিনীর অনুমোদন করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য হলো শতবর্ষী উপজাতি বিরোধের একটি স্থায়ী ও টেকসই সমাধান করা, যা অঞ্চলটিতে উল্লেখযোগ্যভাবে অস্থিরতার ছড়িয়ে দিয়েছে।’ পারাাচিনারের চলমান উপজাতি সংঘাত ইতোমধ্যে ১০০-এর বেশি শিশুর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং জেলাকে পঙ্গু করে দিয়েছে। প্রধান ও ছোট সব সড়কই গত আড়াই মাস বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত এবং দীর্ঘস্থায়ী অবরোধের ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্তৃপক্ষ এই সংকট মোকাবিলায় সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।







