বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম এই রায় দেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার সোটাহার ধারকী গ্রামের মৃত ফরেজ উদ্দিনের ছেলে আ: রউফ (৬৬), মোহাম্মদ আলীর ছেলে রুহুল আমিন (৪১), আ: রউফের ছেলে আলী হোসেন (৩৩), খোকন হোসেন (৩১), মৃত আছির উদ্দিনের ছেলে বেলাল হোসেন (৪৬), আক্তারুজ্জামানের ছেলে রোকন হোসেন (৩৩), বাবু হোসেন (৩১), মৃত আবু সাঈদের ছেলে মিজানুর রহমান (৫৬), মিজানুর রহমানের ছেলে সিরাজুল (৪১)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১১ জানুয়ারি নুরুল হক হিচমী এলাকার আমান উল্লাহার জমিতে দিনমজুর হিসেবে ধান কাটছিলেন। আহসানউল্লাহর বিবাদমান জমিতে ধান কাটার সময় আসামিরা নুরুলকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা নুরুলকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
সেখানে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন দুপুরেই মৃত্যু হয় তার। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মাছুম বাদী হয়ে ওই দিনই জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে জয়পুরহাট সদর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মমিনুল হক মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ৩০ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ আদালতের বিচারক এই রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট হেনা কবির।