আল-জাজিরা ও টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনার পর ইব্রাহিম রাইসিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের খোঁজ মেলেনি।
ধারণা করা হচ্ছে, রইসির সঙ্গে একই হেলিকপ্টারে ছিলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমিরাবদুল্লাহিয়ান এবং ওই প্রদেশে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ আলী আলে-হাশেম।
দেশটির রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণাধীন গণমাধ্যম জানিয়েছে, রইসির বহনকারী হেলিকপ্টারের সঙ্গে আরও দুইটি হেলিকপ্টার ছিল। তবে সেগুলো নিরাপদেই অবতরণ করতে পেরেছে। সেই হেলিকপ্টারে ছিলেন জ্বালানি মন্ত্রী আলী আকবর মেহরাবিয়ান এবং আবাসন ও পরিবহন মন্ত্রী মেহরদাদ বজরপাশ।
ইরানের আধা সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানায়, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে হেলিকপ্টারের ভেতরে থাকা লোকেরা উদ্ধারের জন্য জরুরি ফোনকল করতে পেরেছিলেন।
ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমির ওয়াহিদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেছেন, বিভিন্ন উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। তবে কুয়াশা এবং খারাপ আবহাওয়ার কারণে কিছুটা সময় লাগতে পারে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, হেলিকপ্টারের সঙ্গে রেডিওর মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়েছিল। এর বেশি কিছু জানাননি তিনি।